হোম / কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম

দেশ ও জনগণের অতন্দ্র প্রহরী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ণ পড়া হয়েছে: ৭১ বার


ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
দেশ ও জনগণের অতন্দ্র প্রহরী ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতিচারণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কমপ্লেক্সের নতুন ভবন সংলগ্ন মাঠে এই স্মৃতিচারণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী–ভূরুঙ্গামারী) আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা ইউনিটের কমান্ডের আহ্বায়ক মোঃ নুরুজ্জামান, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক কাজী আলাউদ্দিন মন্ডল, যুগ্ম আহ্বায়ক রইচ উদ্দিন বাদশা, উপজেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ কাজী নিজাম উদ্দিন, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের পক্ষে সজিবুর রহমান সজিব, রফিকুল হাসান রঞ্জুসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ সরকার।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক কমান্ডার এটিএম শাহজাহান মানিক।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা ইউনিটের কমান্ডের আহ্বায়ক মোঃ নুরুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী গোলাম মোস্তফা, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ সরকার এবং প্রধান অতিথি আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকে অস্বীকার করা মানেই বাংলাদেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে অস্বীকার করা। স্বাধীনতার ইতিহাসকে বাদ দেওয়ার অপচেষ্টা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির হাতকে শক্তিশালী করে এবং দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।
প্রধান অতিথি আলহাজ্ব সাইফুর রহমান রানা তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে খাবার পরিবেশন করা হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে মিলনমেলায় এক আবেগঘন ও স্মৃতিময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!