হোম / আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

কচাকাটার কৃষ্ণপুর কালাডাঙ্গা ব্রহ্মপুত্র নদে  মহা অষ্টমী স্নান অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ণ পড়া হয়েছে: ৮১ বার


স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম
প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার কৃষ্ণপুর কালাডাঙ্গা ব্রহ্মপুত্র নদের ঘাটে মহা পবিত্র অষ্টমী স্নান ও গঙ্গা পুজা অনুষ্ঠিত হয়। ২৬ মার্চ ২০২৬ ইং  রোজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫ ঘটিকা হতে দুপুর ২ ঘটিকা পর্যন্ত এই স্নান ও গঙ্গা পুজা উৎসবে ভুরুঙ্গামারী, কচাকাটা ও নাগেশ্বরী থানার সনাতন ধর্মাবলম্বী পুন্যার্থীর আগমন ঘটে। অষ্টমী স্নান ও গঙ্গা পুজা পরিদর্শন কচাকাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শ্রী অর্পন কুমার। এসময়  এসআই শ্রী কার্তিক চন্দ্রের নেতৃত্বে কচাকাটা থানার টহল পুলিশ সার্বক্ষণিক মেলায় আগত পুন্যার্থীদের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন। কথিত আছে রাজা পরশুরাম তার পিতামহামুনি জমদগ্নির নির্দেশে তার মাতা রেনুকাকে হত্যা করায় হাতে কুঠার আটকে গেলে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে তীর্থ ভ্রমনে বের হন।

কথিত আছে রাজা পরশুরাম পিতৃ আদেশে মাতৃহত্যা মহাপাপে পরশুরামের হাতে কুঠার আটকে গেলে তিনি হিমালয়ের মানস সরোবরে স্বপ্নাদেশ প্রাপ্ত হয়ে ব্রহ্মপুর নদে এই তিথিতে হস্ত প্রক্ষালন করলে কুঠারটি তার হাত থেকে পতিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের স্রোতে ভাটি অঞ্চলে চলে যায়। তখন থেকে ভারত উপমহাদেশের বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জন্মজন্মান্তরের মহাপাপ মোচনের জন্য এই অষ্টমী স্নান করে আসছে। সেই সাথে এই দিনে মৃত পিতামাতাসহ মৃত আত্মীয় স্বজনদের পিন্ড দান করে ব্রাহ্মন দিয়ে পুজার্চনা করে। ব্রহ্মপুত্র নদ কচাকাটা থানার মাঝিয়ালী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় এবং সঙ্গে গঙ্গাধার শংকোষ  ত্রিনদের স্রোত একত্রিত হয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কচাকাটা থানার বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর কালাডাঙ্গা ব্রহ্মপুত্র নদের ঘাটে এবারও  ৪১তম মহা পবিত্র অষ্টমী স্নান ও গঙ্গা পুজা অনুষ্ঠিত হয়। পুজায় পুরোহিত্ব করেন শ্রী গোপাল চন্দ্র চ্যাটার্জি। কৃষ্ণপুর কালাডাঙ্গা মহা অষ্টমী স্নান ও গঙ্গা পুজার আয়োজক কমিটির সভাপতি নিখিল চন্দ্র প্রধান,সদস্য সচিব শ্রী শিবেন্দ্র নাথ চ্যাটার্জি,কচাকারলটা থানা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী দীলিপ কর্মকার জানান মহা অষ্টমী স্নান ও গঙ্গাপুজা শান্তিপুর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মহা অষ্টমী স্নান ও গঙ্গাপূজায় প্রায় ১০ সহস্রাধিক পুজারী ও পুন্যার্থীদের আগমন ঘটে।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!