হোম / কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম

ইবিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ণ পড়া হয়েছে: ১২ বার


ইবি প্রতিনিধি :
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতকোত্তর (২০২৩–২৪) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় এবং স্নাতক (২০২৪–২৫) শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে এক আনন্দঘন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে (টিএসসি) বিভাগটির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. ওবাইদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাইফুন্নাহার লাকী ও মো. সিদওয়ানুল হকের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. রাকিবা ইয়াসমিন। এছাড়াও বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. রাকিবা ইয়াসমিন বলেন, “জ্ঞান একটি জ্যোতিমান শক্তি এবং জ্ঞানচর্চার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হলো বিশ্ববিদ্যালয়। তোমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান, কারণ তোমাদের বিভাগের শিক্ষকরা সবসময় শিক্ষার্থীদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এক্সট্রা কারিকুলার কার্যক্রমেও তাদের ভূমিকা প্রশংসনীয়, যার ফলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ একটি সুশৃঙ্খল বিভাগ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।”
বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “তোমাদের মধ্যে যে সাংগঠনিক দক্ষতা রয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য নিজের বিষয়ে দক্ষতা, আইসিটি জ্ঞান এবং ইংরেজি দক্ষতা—এই তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এসব বিষয়ে ফোকাস করে সৎ ও যোগ্য মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন, “সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাতটি বিভাগের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। বিভাগের শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই আজ তোমরা একটি সেশনজটমুক্ত বিভাগ পেয়েছ। একজন শিক্ষকের প্রধান দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া।”
তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরা একাডেমিকভাবে ভালো ফলাফলের জন্য মনোযোগী হবে।” আর বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তোমাদের কাছ থেকে পরিবার ও সমাজ ভালো একটি কর্মজীবন প্রত্যাশা করে। আত্মবিশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি ধরে রেখে এগিয়ে গেলে একদিন অবশ্যই লক্ষ্যে পৌঁছাবে। সবসময় আল্লাহর ওপর ভরসা রাখবে।”
অনুষ্ঠান শেষে নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও আবেগঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!