নিউজ ডেস্কঃ দেশে ও বিদেশে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ফ্রিজ ও সংযুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ ফেরাতে বিভিন্ন দেশে ২১টি মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলআর) পাঠানো হয়েছে।
এই তথ্য জানা গেছে জাতীয় সমন্বয় কমিটির ৩০তম সভা থেকে, যা অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বলা হয়, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত ১১টি কেইসের আওতায় ইতিমধ্যে ১০৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি মামলায় চার্জশিট দাখিল এবং ৪টি মামলায় আদালতের রায় দেওয়া হয়েছে।
দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা এবং বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ ফ্রিজ ও সংযুক্ত করা হয়েছে। এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে স্থাবর ও অস্থাবর উভয় ধরনের সম্পত্তি। সভায় বিদেশে পাচার অর্থ উদ্ধারে আরও কার্যকর আইনগত সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আরও এমএলএআর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া, অগ্রাধিকার কেইসগুলোতে দ্রুত চার্জশিট দাখিল, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রস্তুতি শক্তিশালী করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply