আন্তর্জাতীক ডেস্কঃ হোয়াইট হাউস থেকে বুধবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সরকারের ১১ মাসের সাফল্য তুলে ধরেছেন। ট্রাম্প তার ভাষণে ভোক্তাপণ্যের উচ্চমূল্যের জন্য ডেমোক্র্যাট প্রশাসনের ওপর দায় চাপিয়ে, অভ্যন্তরীণ সংস্কারের পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সাফল্য তুলে ধরেন।
ট্রাম্প কূটনৈতিক অভ্যর্থনা কক্ষ থেকে বলেন, “আমাদের প্রশাসন গাজায় যুদ্ধের অবসান, ইরানের পারমাণবিক হুমকি নির্মূল এবং মধ্যপ্রাচ্যে ৩ হাজার বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো শান্তি প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে।” তিনি আরও জানান, আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটানো হয়েছে এবং গাজায় আটক ইসরায়েলি বন্দীদের জীবিত ও মৃত অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প দেশের অভ্যন্তরীণ নীতির দিকে মনোযোগ দিয়ে জানান, খুব শিগগিরই ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করবেন, যিনি সুদের হার বড় আকারে কমানোর পক্ষে থাকবেন। এছাড়া তার প্রশাসন ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ নিশ্চিত করেছে, যা উচ্চ মজুরি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। দশ লাখের বেশি মার্কিন সেনা সদস্য ক্রিসমাসের আগে আর্থিক বোনাস পাবেন।
অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ও পণ্যের দাম কমানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমি এই বাড়তি দাম কমাচ্ছি এবং খুব দ্রুতই দাম নিচে নামবে।” তবে, স্বীকার করেছেন যে কিছু পণ্যের দাম এখনো বেশি।
ট্রাম্পের ভাষণে জো বাইডেন শাসনামলের দিকেও আঙুল তুলেছেন এবং দাবি করেছেন, অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।

Leave a Reply