চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় নগর জামায়াতের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ইইউ প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন পলিটিক্যাল অ্যানালিস্ট মার্সেল ন্যাগি এবং লিগ্যাল অ্যানালিস্ট এরিনি গোউনারি। তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে গত ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে আসেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক এবং চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী শফিউল আলম উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও মহানগর মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরিদা খানম, সহকারী সেক্রেটারি আয়েশা পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদিকা শিরিন জাহান ও উম্মে ফাতেমা বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে ইইউ প্রতিনিধিরা দেশের সার্বিক নির্বাচনি পরিবেশ, রাজনৈতিক দলগুলোর গণসংযোগ কার্যক্রম এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান।
এ সময় মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে নিয়মতান্ত্রিকভাবে তারা নির্বাচনি গণসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীরা হামলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তিনি আরও জানান, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে আগামী ৩১ জানুয়ারি ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি মহিলা সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলায় জামায়াতের অন্তত আটজন কর্মী আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা জামায়াতের নারী নেত্রীদের কাছে তাদের গণসংযোগ কার্যক্রম ও সাধারণ জনগণের সাড়া সম্পর্কে জানতে চান। জবাবে নারী নেত্রীরা জানান, তারা ঘরে ঘরে গিয়ে নিয়মিত গণসংযোগ চালাচ্ছেন এবং ভোটারদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন।
এ সময় জামায়াত নেতারা ঋণখেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
চট্টগ্রাম
ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ণ
পড়া হয়েছে: ৭ বার
বিজ্ঞাপন

Leave a Reply