হোম / অপরাধ
অপরাধ

নাগেশ্বরীতে পুলিশের মাদক ও চোরাচালান বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় প্যান্ট পিস জব্দ

প্রকাশ: 17 August 2026, 07:32 AM পড়া হয়েছে: ১৩ বার

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মাদক, চোরাচালান ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ করেছে পুলিশ। অভিযানে ২৬৮ পিস থান কাপড় উদ্ধার করা হয়, যার প্রতিটি পিসের দৈর্ঘ্য ১২ মিটার। জব্দ করা কাপড়ের মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২১৬ মিটার। এসব জব্দকৃত কাপড়ের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্বে নাগেশ্বরী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন, নাগেশ্বরী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক প্রধান এবং পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান চালায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী উপজেলা সদরের দয়াময়ী পাইলট স্কুল সংলগ্ন ফজলুর রহমান ওরফে ফজলু চেয়ারম্যানের বাড়ি এবং মোমিনগঞ্জ এলাকার রিয়াজুল ইসলাম (৩৫)-এর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় এসব স্থানে মজুত করা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কাপড় জব্দ করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, জব্দ করা কাপড়গুলো শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে দেশে আনা হয়েছিল। সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানের মাধ্যমে এসব পণ্য দেশের অভ্যন্তরে এনে মজুত ও বাজারজাতের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী আইনি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নাগেশ্বরী থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় নির্দিষ্ট কয়েকজনের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা সীমান্ত চোরাকারবারিদের আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অভিযান সম্পর্কে ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নাগেশ্বরীতেও বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। মাদক ও চোরাচালান নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের এমন অভিযানে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!