কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
সংবাদপথের নিরবচ্ছিন্ন ব্যস্ততার মাঝেও কিছু দিন থাকে, যেদিন কাজের তাড়াহুড়ো থেমে যায় হৃদয়ের উষ্ণতায়। তেমনই একটি দিন ছিল—দীপ্ত টেলিভিশনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ক্রীড়া সংগঠক ইউনুস আলীর জন্মদিন।
এই দিনে কুড়িগ্রাম টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের ছোট্ট পরিসরে জড়ো হয়েছিলেন সহকর্মীরা। হাতে ছিল ফুল, সামনে কেক—কিন্তু তার চেয়েও বড় ছিল আন্তরিকতা ও সম্মান। কেক কাটার মুহূর্তে চারপাশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে সহমর্মিতার হাসি, যা বহুদিনের সহযাত্রার গল্প বলে।
সহকর্মীরা বলেন, ইউনুস আলী শুধু একজন সাংবাদিক নন—তিনি সততা, পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার প্রতিচ্ছবি। সংবাদ সংগ্রহের মাঠে যেমন তিনি ছিলেন নির্ভীক ও দায়িত্বশীল, তেমনি সহকর্মীদের পাশে থেকেছেন একজন অভিভাবকের মতো। ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তার অবদান কুড়িগ্রামের তরুণ সমাজকে গড়ে তুলতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ইউনুস আলী কিছুটা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন,
“সহকর্মীদের এই ভালোবাসা আমার জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই ভালোবাসাই আমাকে আরও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার শক্তি দেয়।”
অনুষ্ঠানের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে কেউ বললেন, জন্মদিন আসলে ক্যালেন্ডারের একটি দিন মাত্র। কিন্তু এমন মুহূর্তগুলোই মানুষকে মনে করিয়ে দেয়—মানুষের পাশে মানুষ থাকলেই জীবন অর্থবহ হয়।
দিন শেষে কেকের মিষ্টতা মিলিয়ে গেলেও সহকর্মীদের ভালোবাসা আর সম্মানের উষ্ণতা রয়ে গেল সবার মনে। ইউনুস আলীর জন্মদিন যেন সেই কথাই আবার প্রমাণ করল—সহযাত্রা আর সম্মানই সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় শক্তি।


Leave a Reply