হোম / কৃষি ও প্রকৃতি
কৃষি ও প্রকৃতি

সাতক্ষীরা সদরে দাকোপের সিবিও চিংড়ি চাষীদের অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর

প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২০ অপরাহ্ণ পড়া হয়েছে: ১৯৬ বার


সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
মৎস্য অধিদপ্তরের কমিউনিটি বেইজড ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট ফিশারিজ এন্ড একুয়াকালচার ডেভলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার ৫০ জন সিবিও (CBO) চিংড়ি চাষি অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সফর করেছেন।
সফর উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে চাষিদের স্বাগত জানান সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম। দাকোপ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে চাষিরা এ অভিজ্ঞতা বিনিময় সফরে অংশগ্রহণ করেন।
পরিদর্শনকালে একটি দলে ২৫ জন চাষি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধূলিহর এলাকায় বটম ক্লিন ও বায়োফ্লক পদ্ধতিতে উচ্চ ঘনত্বে নিবিড় বাগদা চাষ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় দাকোপ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চিংড়ি চাষি ক্লাস্টারের মধ্যে তথ্য ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নতুন এই প্রযুক্তি সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
পরবর্তীতে আয়-ব্যয় বিশ্লেষণ ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শেষে চাষিরা সরেজমিনে ঘের পরিদর্শন করেন। ঘের মালিক লিটু জাল টেনে চিংড়ি দেখান এবং চাষ পদ্ধতির বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন।
খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান জানান, চাষিদের বিক্রয় তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে হেক্টরপ্রতি প্রায় ১৫ টন চিংড়ি উৎপাদন হয়েছে। তিনি বলেন, এই আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করলে চাষিরা উৎপাদন প্রায় ৪৫ গুণ পর্যন্ত বাড়াতে সক্ষম হবেন।
সফর শেষে চাষিরা নার্সারি ব্যবস্থাপনা, বায়োসিকিউরিটি, ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধি ও বায়োফ্লক প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি পুরুষ গলদা চাষের প্রতিও তারা উৎসাহ দেখান। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও অভিজ্ঞতা বিনিময়মূলক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান অংশগ্রহণকারী চাষিরা।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!