হোম / অপরাধ
অপরাধ

ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহাল না করার দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ণ পড়া হয়েছে: ১২৪ বার

ভূরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
ভূরুঙ্গামারীতে ২০২২ সালের দিনাজপুর বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহাল না করার দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত|

সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কলেজ মোড়ে ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী, অভিভাবকদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ শহিদুল ইসলাম আকন্দ, যুগ্ম আহ্বায়ক ইফতেখারুল ইসলাম শ্যামা, সুধী সমাজের প্রতিনিধি নিজাম উদ্দিন ব্যাপারী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম শান্ত, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুনুর রশীদ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম ইয়াছিন, শিক্ষার্থী আদিবা আহসান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ইয়াকুব আলী শ্রাবণ প্রমুখ|

জানাগেছে, ২০২২ সালের দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ লুৎফর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ৭ শিক্ষক-কর্মচারীদের পুনর্বহাল না করার দাবিতে শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়|
বক্তারা বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনা হলে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে| তাঁরা দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান| মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে একটি স্মারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রদান করেন| স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত শিক্ষক ও কর্মচারীরা যেন ভবিষ্যতে কোনোভাবেই বিদ্যালয়ে যোগদান করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানানো হয়|
উল্লেখ্য ২০২২ সালে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার ৬টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমানকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং লুৎফর রহমানসহ ৭জন শিক্ষক কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়| পরবর্তীতে আদালত ১৪ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ৫ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে আসামীদের বেকসুর খালাস দেন| পরে ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ রাষ্ট্র পক্ষ এ রায়ের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন| মামলা চলমান থাকা সত্বেও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) অভিযুক্ত শিক্ষকদের পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়| এরই প্রেক্ষিতে সাময়িক বরখাস্তকৃত শিক্ষক ও কর্মচারীরা বিদ্যালয়ে যোগদানের চেষ্টা করলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়|

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!