হোম / কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম

ভূরুঙ্গামারীতে অসহনীয় লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তি

প্রকাশ: 28 June 2026, 10:46 PM পড়া হয়েছে: ১১৯ বার

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে লোডশেডিংয়ের কারণে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে| লোডশেডিংয়ের মাত্রা চরম আকার ধারণ করায় মানুষজন রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পাচ্ছেন না| লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তির শিকার মানুষজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন|

জানা গেছে, এক সপ্তাহের অধিক সময় যাবত ভূরুঙ্গামারীতে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে| এর পাশাপাশি সামান্য বৃষ্টি ও বাতাস হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়| বিদ্যুৎ নির্ভর কাজের সাথে জড়িত শ্রমজীবীদের আয় রোজগার কমে গেছে|

কয়েকজন এইচএসসি পরীক্ষার্থী জানায়, ভূরুঙ্গামারীতে সন্ধ্যা পর রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না| তার ওপর প্রচন্ড গরম| এমন পরিবেশে পড়াশোনা করা বেশ কষ্টকর| এমন অবস্থা চলতে থাকলে পরীক্ষা ভালো হবে না|

বিপ্লব জয়নাল নামের একজন তার ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও তেল সব কিছুর দাম বাড়ানোর পরেও কেন আমরা সার্ভিস পাবো না? এতো পরিমাণে বিদ্যুৎ পাই যে মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ফুল চার্জ হয় না! ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করবে কখন? আজ (গত শনিবার) মেয়ের স্কুল ১০.৫০ মিনিটে ছুটি দিয়েছে| কারণ বিদ্যুৎ নেই|

জান্নাতুল মাওয়া মৌ তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ভূরুঙ্গামারীতে কি নতুন কোনো ‘কুত কুত’ বিদ্যুৎ নীতি চালু হয়েছে? ভূরুঙ্গামারীতে বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ে আসলে কী হচ্ছে? দিনে কিছুটা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু রাতে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়াটা সত্যি খুবই বিরক্তিকর| সারাদিনের ব্যস্ততার পর সবাই রাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতে চায়| বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? আশা করি বিষয়টি দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে|

ইমরান হোসেন পোস্ট করেন, বর্তমানে লোডশেডিং এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছে যা রীতিমত উদ্বেগ, হতাশা ও দুঃখজনক| শুধু শুধু সরকার মন চাইলে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত লোডশেডিং দিয়ে জনভোগান্তি সৃষ্টি করে| তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই| অতি দ্রুত লোডশেডিং বন্ধ করে জনভোগান্তি লাঘব করার জোর দাবি জানাচ্ছি|

এনামুল হক নামের আরেকজন লেখেন, অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে বিদ্যুৎ| এবার গিনেস বুকে নাম ঘোষণার অপেক্ষা|

পল্লী বিদ্যুৎ ভূরুঙ্গামারী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার চাহিদা ২১ মেগাওয়াট| চাহিদার বিপরীতে প্রাপ্তি ১০ মেগাওয়াট| এছাড়া ফিডার স্ক্যাডা থাকায় দিনে ও রাতে বেশ কয়েকবার ঢাকা থেকে সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়| আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে|

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!