ডেস্ক নিউজঃ
প্রথম ম্যাচে নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জা সঙ্গী হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। তবে সেই ব্যর্থতা দ্রুত ভুলে চণ্ডীগড়ের দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন প্রোটিয়াদের। বৃহস্পতিবার ভারতকে ৫১ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ১–১ সমতায় ফিরিয়েছে তারা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ইনিংসের নেতৃত্ব দেন ওপেনার কুইন্টন ডি কক। মাত্র ৪৬ বলে ৯০ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে ম্যাচের গতিপথ একাই বদলে দেন তিনি। তার ব্যাটে ঝরে ৫টি চার ও ৭টি ছয়। এইডেন মার্করামের সঙ্গে তার দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৪৬ বলে ৮৩ রান।
শেষ দিকে ডোনোভান ফেরেরা (১৬ বলে ৩০) ও ডেভিড মিলার (১২ বলে ২০*) মিলে সংগ্রহটিকে নিয়ে যান ২১৩ রানে—যা টি–টোয়েন্টিতে যেকোনো দলের জন্যই চ্যালেঞ্জিং।
রান তাড়ায় নেমে প্রথমেই ধাক্কা খায় ভারত। মাত্র ৩২ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন তিন ব্যাটার—শুভমান গিল (০), অভিষেক শর্মা (১৭) এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (৫)।
এরপর তিলক ভার্মা ও অক্ষর প্যাটেল কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন। তাদের ৩৫ রানের জুটিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ইঙ্গিত মিললেও অক্ষর (২১) ফিরেই ভেঙে দেন সেই আশার সেতু। হার্দিক পান্ডিয়াও (২০) থিতু হয়ে বড় কিছু করতে পারলেন না।
তিলক এরপর হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেলেও সঙ্গীর অভাবে চাপে পড়ে ভারত। জিতেশ শর্মা ১৭ বলে ২৭ রান করে ফেরার পর ম্যাচ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ভারতের শেষ পাঁচ উইকেট ঝরে পড়ে এবং ১৯.১ ওভারেই ১৬২ রানে থেমে যায় তাদের ইনিংস। তিলকই শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন—৩৪ বলে লড়াকু ৬২ রানে।
প্রোটিয়াদের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন ওটনেল বার্টমান। দুর্দান্ত লাইন–লেন্থে বোলিং করে তিনি তুলে নেন ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
প্রথম ম্যাচে ব্যর্থতার পর এমন জোরালো প্রত্যাবর্তনে সিরিজ এখন ১–১ সমতায়। বাকি ম্যাচগুলোতে ভারত–দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই যে আরও উত্তেজনাপূর্ণ হতে যাচ্ছে, তা বলাই যায়।

Leave a Reply