নীলফামারী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী জনগণের দল। জনগণের যেকোনো সমস্যায় এ দল সবার আগে এগিয়ে আসে। তারা কোনো মিথ্যার প্রতিশ্রুতি দেয় না। যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই মিথ্যা কথা বলে, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশের কী হবে এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সোমবার শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ টি এম আজহারুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতে জামায়াতের অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা ও জেল-জুলুমসহ নানা অত্যাচার করে দলকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল যারা, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে তারাই এখন দেশে নেই। এ সময় তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
নীলফামারী শহর জামায়াতের আমির অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে৬ জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী-২ (সদর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি সাদিক কায়েম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারসহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, যারা চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করেছে, তাদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে লাল কার্ড দেখাতে হবে। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান উত্তরাঞ্চলকে কৃষি রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। জামায়াত বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থান, আধুনিক শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মানুষের মৌলিক চাহিদার উন্নয়নে কাজ করবে।
নীলফামারী-২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করবেন।

Leave a Reply