চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা হেফাজতে থাকা জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু (৫৩) মারা গেছেন। সোমবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ডাবলু উপজেলা শহরের বসতিপাড়া এলাকার মৃত আতাউর মাস্টারের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত ৩৬ এ ডি রেজিমেন্ট টিটিসি আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর একটি দল জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার কাছে আসে। পরে তারা জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর ওষুধের দোকানে প্রবেশ করে তাকে পাশের বিএনপি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, রাত ১২টার দিকে সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় ডাবলু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুসহ শত শত নেতাকর্মী হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা হাসপাতালের প্রধান ফটক বন্ধ করে কড়া পাহারায় থাকেন। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের মরদেহ হাসপাতালেই রয়েছে।
নিহতের পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাকে নির্যাতন করে হত্যা করেছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অন্যদিকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার রাতে অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার সামনে থেকে শামসুজ্জামান ডাবলুকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি ভয়জনিত কারণে স্ট্রোক করলে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি ঘিরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সতর্ক অবস্থান নেওয়া
কুড়িগ্রাম
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা হেফাজতে পৌর বিএনপি নেতার মৃত্যু, এলাকায় উত্তেজনা
প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ণ
পড়া হয়েছে: ২৭ বার
বিজ্ঞাপন

Leave a Reply