নিজস্ব প্রতিবেদক :
গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের বিষয়ে সরকার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব স্বীকার করছে এবং এই বাহিনীতে যোগদানের বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সোমবার তিনি বাসসকে বলেন, “আমরা আইএসএফ গঠনের বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব স্বীকার করি। কিছু মুসলিম দেশ এই বাহিনীতে অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশও বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করছে।”
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা দেশগুলোর একটি এবং ফিলিস্তিনের ন্যায্য অধিকারের প্রতি বাংলাদেশ বরাবরই দৃঢ় সমর্থক।
প্রেস সচিব জানান, আইএসএফে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আগ্রহ কয়েকটি মৌলিক নীতি পূরণের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে রয়েছে—আইএসএফ হবে অস্থায়ী এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্পষ্ট ম্যান্ডেটের আওতায় পরিচালিত হবে, গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে হবে, সকল ইসরাইলি বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করতে হবে এবং গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
শফিকুল আলম বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর রেজল্যুশন ২৮০৩ গ্রহণ করেছে, যেখানে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের সকল মুসলিম দেশ এই রেজল্যুশনের পক্ষে ভোট দিয়েছে।”
তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা পরিষদে রেজল্যুশনটি গ্রহণের সুপারিশে অন্যান্য বেশ কয়েকটি আরব ও মুসলিম দেশও যৌথভাবে ভূমিকা রেখেছে।
প্রেস সচিব বলেন, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে আল কুদস আল শরিফকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সমর্থনে অটল রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ গাজায় ইসরাইলের গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং অবিলম্বে এই আগ্রাসনের অবসান ও গাজা থেকে সকল ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহারের জোরালো আহ্বান জানিয়েছে।
কুড়িগ্রাম
গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে যোগদানের বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করছে বাংলাদেশ
প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ণ
পড়া হয়েছে: ১৮ বার
বিজ্ঞাপন

Leave a Reply