হোম / অপরাধ
অপরাধ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুর বাড়িতে জামাইকে পিটিয়ে হত্যা মামলার আসামী স্ত্রী ও তার ভাই গ্রেফতার

প্রকাশ: ১ মে ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ণ পড়া হয়েছে: ৯৭ বার

হুমায়ুন কবির সূর্য, কু‌ড়িগ্রাম:৩০-০৪-২০২৬

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে জামাইকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান দুই আসামি স্ত্রী জেসমিন খাতুন (২৩)  ও তার ভাই মিজানুর রহমান (৩৮)কে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র‍্যাব-১৩ রংপুর।

র‍্যাব সূত্র জানায়, নিহত জামাই মো. আক্তারুজ্জামান রুবেল (২৫) ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদারের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে মোছা. জেসমিন খাতুনের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল।

গত ১৭ এপ্রিল সকালে পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে আনতে গেলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে স্ত্রী, তার ভাই মিজানুর রহমান এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মিলে রুবেলকে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও কাঠের টুকরা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় (২৫ এপ্রিল) নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে র‍্যাব-১৩ (রংপুর) ও র‍্যাব-১ (উত্তরা) যৌথভাবে অভিযানে পরিচালনা করে (২৯ এপ্রিল) বিকেলে গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকার একটি বাসা থেকে মামলার ১ নম্বর আসামি মিজানুর রহমান ও ২ নম্বর আসামি জেসমিন খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়।

রংপুর র‍্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গোপন সোর্স এবং মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে আসামীদের সনাক্ত করা হয়। র‍্যাব হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ সকল ধরণের গুরুতর অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!