ফুলবাড়ী প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলা সদরের ব্যস্ততম তিনকোণা মোড়—যা থেকে বালারহাট, নাগেশ্বরী ও খরিবাড়ী সড়কে প্রবেশ পথ—এখন যেন তীব্র যানজটের স্থায়ী ঠিকানা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই মোড়জুড়ে সৃষ্টি হওয়া অচলাবস্থা ভোগান্তিতে ফেলছে পথচারী, স্কুল–কলেজগামী শিক্ষার্থী, রোগীবাহী যানবাহনসহ সাধারণ মানুষকে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মোড়ের পাশেই এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকে অসংখ্য অটোরিকশা ও সিএনজি চালিত যানবাহন। যাত্রী তুলতে বা নামাতে তারা দীর্ঘক্ষণ সড়কে দাঁড়িয়ে থাকে, ফলে তিনটি ভিন্ন দিক থেকে আসা যানবাহন মোড়েই আটকে পড়ে। সংকীর্ণ সড়ক এবং অব্যবস্থাপনাই যানজটকে আরও ঘনীভূত করছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী হাফিজুল ইসলাম জানান, “সারাদিনই যানজট লেগে থাকে। দোকানে ক্রেতা আসতে পারে না। একটু দূরত্ব পার হতে ১৫–২০ মিনিট লেগে যায়।” একই অভিযোগ পথচারী সালমা বেগমের—“এই মোড় পার হওয়া মানে যন্ত্রণা। যানবাহনগুলো নিয়ম মানে না। কেউ ইচ্ছেমতো গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখে।”
সচেতন মহলের অভিযোগ, তিন প্রবেশমুখে কোনো ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নেই। সড়কের পাশে নির্দিষ্ট স্টপেজ না থাকায় চালকেরা যত্রতত্র যাত্রী তোলে–নামায়। ফলে মোড়টি দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে স্কুল শুরুর সময়, বাজারঘাটার ব্যস্ততা এবং অফিস সময় এই সমস্যা চরমে পৌঁছায়।
ফুলবাড়ী উপজেলার একাধিক বাসিন্দা জানান, তিনকোণা মোড়ের যানজটের কারণে অ্যাম্বুলেন্স এবং জরুরি সেবার গাড়িও আটকে যায়। এতে রোগী পরিবহনে দেরি হয়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনার মতো অঘটন।
স্থানীয় চেম্বার প্রতিনিধি মমিনুল হক বলেন, “এই মোড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট স্টপেজ তৈরি এবং অবৈধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহন অপসারণ জরুরি। তা না হলে প্রতিদিনই জনদুর্ভোগ বাড়বে।”
এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবিও জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তারা বলেন, “নিয়মিত তদারকি, মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ এবং যানবাহন দাঁড়ানো নিষিদ্ধ করা হলে যানজট অনেকটাই কমে যাবে।”
এদিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, গাড়ির সংখ্যা বেড়ে গেছে কিন্তু সড়কের ধারণক্ষমতা বাড়েনি। ফলে মোড়জুড়ে ক্রমাগত বাধা তৈরি হচ্ছে।
সবশেষে স্থানীয়রা আশা করছেন, ফুলবাড়ী উপজে

Leave a Reply