হোম / কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম

আরিফ প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ণ পড়া হয়েছে: ১৯৪ বার


সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
শিক্ষার্থীদের মেধা, সাফল্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি জানাতে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা উপজেলার সুতাহাটি বাজারে অবস্থিত আরিফ প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বার্ষিক–২০২৫ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল সোমবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আব্দুল মালেক শেখের সভাপতিত্বে এবং উপ-পরিচালক হিটলার আলীর সঞ্চালনায় প্রথমে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল মালেক শেখ বলেন, প্রতিষ্ঠাতার অক্লান্ত পরিশ্রম ও সুসংগঠিত শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। উন্নত শিক্ষার পরিবেশের ফলে দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি অভিভাবকদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে এসে খোঁজখবর নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো সমস্যা থাকলে তা জানালে কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলভাবে পাঠদানে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এম. আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়—এই লক্ষ্যেই এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে। সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। তিনি শিক্ষার্থীদের ফলাফল আশানুরূপ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আরও ভালো ফলের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অব্যাহত পরিশ্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সানজিতা রানী বলেন, ফলাফল যাই হোক না কেন হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। যারা কিছুটা পিছিয়ে আছে, তারা চেষ্টা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সামনের দিনে ভালো করতে পারবে। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, সন্তানরা সম্পদ নয়, বরং ভবিষ্যতের দায়িত্ব—তাদের সঠিকভাবে গড়ে তোলাই সবার কর্তব্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বলেন, নিয়মিত মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরণ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করে তোলে এবং তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি করে। এতে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল অর্জনে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। অভিভাবকরাও এমন আয়োজন নিয়মিত করার দাবি জানান।
এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক-অভিভাবিকা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!