কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতীক বরাদ্দের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বুধবার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
এর মধ্যে কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন আতিক মোজাহিদ। অপরদিকে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী হিসেবে লাঙল প্রতীক পেয়েছেন পনির উদ্দিন আহমেদ।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরপরই প্রার্থীদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও প্রাণচাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার দুপুরের পর থেকেই কুড়িগ্রাম-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদ। এ সময় তার সঙ্গে জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
গণসংযোগকালে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও প্রাণবন্ত পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। লাঙল প্রতীকের প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদ বলেন,
“আমি কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। জনগণের দোয়া ও সহযোগিতা পেলে এ এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবো। জাতীয় পার্টি সবসময় মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে, আমিও সেই ধারাবাহিকতায় এলাকার উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।”
নেতা-কর্মীরা জানান, প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী মাঠে কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে। আগামী দিনগুলোতে আরও ব্যাপক আকারে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভা চালানো হবে বলেও জানান তারা।
প্রতীক বরাদ্দের পর কুড়িগ্রাম জুড়ে নির্বাচনী আমেজ আরও জোরালো হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস
প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
পড়া হয়েছে: ৫৭ বার
কুড়িগ্রামে প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস
বিজ্ঞাপন

Leave a Reply