হোম / কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামের চার আসনে মনোনয়ন জমার হিড়িক, প্রার্থী ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ পড়া হয়েছে: ৪২৭ বার


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম জেলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বেড়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩০ জন প্রার্থী দাখিল করেছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। আসনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী) আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারিসুল বারী রনি, গণঅধিকার পরিষদের বিন ইয়ামিন মোল্লা এবং বিএনপির সাইফুর রহমান রানা উল্লেখযোগ্য। কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী) আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টির ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ, জাতীয় পার্টির আলহাজ্ব পনির উদ্দিন আহমেদ এবং বিএনপির আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ প্রধান প্রার্থী। কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপি থেকে মো. তাসভিরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি থেকে আব্দুস ছাত্তার, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মো. মাহবুবুল আলম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ডা. আক্কাস আলী উল্লেখযোগ্য। কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, চিলমারী ও রাজিবপুর) আসনে সর্বোচ্চ ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির মো. আজিজার রহমান, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মো. মোস্তাফিজার রহমান, জাতীয় পার্টির কে.ও.এম. ফজলুল হকসহ জাকের পার্টি, বাসদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন।
বড় দলগুলোর পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং খেলাফত মজলিশের প্রার্থীরাও মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণও ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। স্থানীয় ভোটাররা চরাঞ্চল ও নদীবেষ্টিত এই এলাকায় নদী ভাঙন রোধ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতিকে গুরুত্ব দিয়ে ভোট দেওয়ার বিষয়ে জোর দিয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হবে এবং বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে, যা কুড়িগ্রামের চার আসনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!