হোম / কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম

কাঁচা মরিচের রসগোল্লায় মন মজেছে মিষ্টি প্রেমিদের

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ণ পড়া হয়েছে: ১৯৮ বার
কাঁচা মরিচের রসগোল্লায় মন মজেছে মিষ্টি প্রেমিদের
কাঁচা মরিচের রসগোল্লায় মন মজেছে মিষ্টি প্রেমিদের

কুড়িগ্রাম (উত্তর) প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রামের উলিপুরের ক্ষীরমোহন আর ধলডাঙ্গার শুকনো গোল্লার জন্য বিখ্যাত। এবার এ দুটি মিষ্টির পাশাপাশি ঝড় তুলছে কাঁচা মরিচের সবুজ রঙের ঝাল রসগোল্লা। কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল কচাকাটায় তৈরী হচ্ছে এই রসগোল্লা। ইতিমধ্যে মিষ্টি প্রেমি মানুষের মন জয় করেছে এ মিষ্টি। সবুজ রঙের এই মরিচ রসগোল্লার স্বাদ নিতে দূর দুরান্ত থেকে ছুটে আসছে মানুষ। রসগোল্লার নাম শুনলেই ছোট বড় সবার মনেই সুখস্মৃতি জেগে উঠে। গোল গোল দুধের ছানার বল চিনির
রসেডুবানো এই মিষ্টি প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে মানসপটে। বাংলার রসগোল্লা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে সাহিত্য ও সিনেমা। সৈয়দ মুজতবা আলীর রসগোল্লার গল্প এখেনো দাগ কাটে একটি প্রজন্মের হৃদয়ে। যুগে যুগে এই রসগোল্লার যেমন প্রসার ঘটেছে তেমনি রুপ বদলিয়েছে নানা ধাঁচে নানা নামে।
এবার কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল কচাকাটায় তৈরী হলো কাঁচা মরিচ দিয়ে রসগোল্লা। রসে ডুবানো সবুজ রঙের এই রসগোল্লা দেখলেই আস্বাদন করতে মন আন-চান করে। তাই এই রসগোল্লার স্বাদ নিতে ছুটে আসছে মিষ্টি প্রেমিরা। কেউ দোকানে বসে খাচ্ছেন, কেউ আবার নিয়ে যাচ্ছেন প্যাকেট ভরে। মিষ্টি খাদকরা বলছেন স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় এই কাঁচা মরিচের রসগোল্লা। গ্রামে লালন করা গরুর খাটি দুধের ছানার সঙ্গে কাঁচা মরিচের পেষ্ট যোগ করে প্রস্তুত করা হয় এই
মিষ্টি। পরে চিনির রসে ডুবিয়ে পরিবেশন ও বিক্রির উপযোগি করে তোলা হয়। কাঁচা মরিচের পেষ্ট দেয়ার ফলে এ মিষ্টির রঙ হয় সবুজাভ ও লোভনিয়। রসে ডুবানো ও শুকনো দুই ধরনের মরিচ মিষ্টি তৈরী হয় এখানে। সাইনবোর্ড বিহীন ছোট এ মিষ্টির দোকনটিতে রয়েছে বৈচিত্রময় মিষ্টির সমারোহ। এর মাঝে শীতে কাঁচামরিচের মিষ্টির চাহিদা বেশী। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এই মিষ্টি নিতে আসেন এখানে। জেলার ভূরুঙ্গামারী থেকে এ রসগোল্লার স্বাদ নিতে আসা রফিকুল ইসলাম জানান, তার চার পাচজন মিলে মরিচের মিষ্টি পরখ করতে এসেছেন। এর আগে এই ধরণের রসগোল্লা তারা উপভোগ করেননি। তারা এই রসগোল্লা খেয়ে সন্তুষ্ট। সপরিবারে আসা দীলিপ কর্মকার জানান, কাচা মরিচের মিষ্টি খেতে ঝাল মিষ্টি। তাছাড়া কাচা মরিচের যে সুগন্ধ রয়েছে সেটাও মিষ্টিতে অটুট রয়েছে। সবমিলিয়ে আমাদের কাছে অসাধারণ মনে হয়েছে। এ মিষ্টি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বনফুল সুইটমিট এর স্বত্বাধীকারী রিয়াজুল ইসলাম জানান, দুই
বছর থেকে কাঁচা মরিচের মিষ্টি তৈরী করা হচ্ছে।এই মিষ্টির চাহিদাও অনেক। এছাড়াও ২০ ধরণের মিষ্টি তৈরী করা হয় এখানে। সব মিলিয়ে দিনে ২শ লিটার দুধ লাগে এখানে। সাধারণ মিষ্টির মতই ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কাচা মরিচের রসগোল্লা।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!